সোমবার, ১৩ জুলাই, ২০২৬

গাজায় ইসরায়েলি গণহত্যার প্রতিবাদে প্যারিসে "প্রতিবাদী কবিতাপাঠ "


সাইফুল ইসলাম রনি photo সাইফুল ইসলাম রনি
প্রকাশিত: ১৩-৪-২০২৫ রাত ১:২৯

গাজায় ইসরায়েলি বাহিনীর নির্মম গণহত্যার বিরুদ্ধে বিশ্বজুড়ে প্রতিবাদের ঢেউ চলমান। সেই ধারাবাহিকতায় ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে অনুষ্ঠিত হলো এক ব্যতিক্রমধর্মী আয়োজন— “প্রতিবাদী কবিতাপাঠ”। গতকাল (১১ এপ্রিল ২০২৫)  শুক্রবার সন্ধ্যা ছয়টায় 'প্রতিবাদী কবিতা পাঠে'র আয়োজন করে সাহিত্যের ছোটোকাগজ 'স্রোত'।

স্রোত সম্পাদক-  কবি বদরুজ্জামান জামান এর সঞ্চালনায় প্রতিবাদী কবিতাপাঠ, গাজায় গণহত্যার  বিরুদ্ধে স্বরচিত কবিতাপাঠ এবং আলোচনায় অংশ নেন- আবৃত্তিশিল্পী মুনির কাদের, আবৃত্তিশিল্পী আবু বকর আল আমিন, কবি ও ছড়াকার লোকমান আহমেদ আপন, কবি বদরুজ্জামান জামান, সংগীতশিল্পী কুমকুম সাইদা,  কবি সোহেল আহমেদ, সাংবাদিক সাইফুল ইসলাম রনি, পুঁথিকবি কাব্য কামরুল, ফরাসি থিয়েটার কর্মী সোয়েব মোজাম্মেল, , সাহিত্যানুরাগী মোহাম্মদ আব্দুল হামিদ, কবি সেলিম উদ্দিন, সাংবাদিক নাজমুল হক, সাদিকুর রহমান সুমন,  উজ্জ্বল খান প্রমূখ। কবিতা আবৃত্তির মাধ্যমে তারা গাজার শহীদ শিশু, মা, বোন ও নিরপরাধ মানুষের প্রতি শ্রদ্ধা জানান এবং ইসরায়েলি আগ্রাসনের তীব্র নিন্দা করেন।

অনুষ্ঠানে পঠিত কবিতায় প্রতিবাদ, গাজার ধ্বংসযজ্ঞের চিত্র আর বিশ্বমোড়লদের  আহবান ফুটে উঠেছে – তারা বলেন বলেন, “গাজার এই হত্যাযজ্ঞ আর কোনোভাবেই উপেক্ষিত থাকতে পারে না। আমরা শিল্প দিয়ে, শব্দ দিয়ে, প্রতিবাদ জানাব— যতদিন না এই নিপীড়ন থামে।”

এই আয়োজন প্রমাণ করে দিল, বুলেটের জবাব শব্দে দেওয়া যায়, আর কবিতা হতে পারে প্রতিবাদের এক শক্তিশালী অস্ত্র।

Parisreports / Parisreports

আবারো হরমুজ প্রণালি বন্ধ ঘোষণা ইরানের

কাতারের সাবেক আমির শেখ হামাদ বিন খলিফা আর নেই

তৃতীয় দফায় ইরানে রাতভর মার্কিন হামলা

ম্যাক্রোঁর সিরিয়া সফরের মধ্যেই দামেস্কে বিস্ফোরণ, নিহত ১

ইরানে আরো কঠোর হামলা করা হবে: ট্রাম্প

তেহরানে আলি খামেনির শোক র‌্যালি, লাখো মানুষের ঢল

ভেনেজুয়েলায় ভয়াবহ ভূমিকম্পে নিহত বেড়ে ১৫০০

অস্থায়ী অভিবাসীদের যুক্তরাষ্ট্র ত্যাগের নির্দেশ

আফগান সীমান্তে পাকিস্তানি বাহিনীর অভিযান, নিহত ২৯

হরমুজ প্রণালি আবার বন্ধ করলো ইরান

হরমুজ প্রণালীতে স্বস্তির হাওয়া

শান্তিচুক্তিতে পৌঁছেছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান

শান্তি চুক্তি: ট্রাম্প দাবির মুখে ইরানের ‘ধীরে চলো’ নীতি