সোমবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৬

শিল্পে গ্যাসের চাপ বাড়লেও এখনও কাটেনি সংকট


নিজস্ব প্রতিবেদক photo নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১৮-৮-২০২৬ দুপুর ১২:৩

শিল্পে গ্যাসের চাপ কিছুটা বেড়েছে, উৎপাদনে ফিরেছে অনেক কল-কারখানা। তবে তা এখনও যথেষ্ট নয়। এর মধ্যেই অনেক অর্ডার বাতিল হওয়ার খবর মিলছে। এমন অবস্থায় জ্বালানি পরিস্থিতির খোঁজ নিচ্ছেন বিদেশি ক্রেতারাও। আর ব্যবসায়ীরা বলছেন, শিল্পে গ্যাসের ব্যাকআপ পরিকল্পনা চূড়ান্ত করা জরুরি। ভবিষ্যতে বিকল্প জ্বালানিচালিত বয়লার বা জেনারেটর কিনতে হলে প্রয়োজন হবে প্রণোদনারও।

জানা গেছে, গ্যাস ও বিদ্যুৎ নিয়ে ভীষণ সংকটে শিল্পকারখানা। নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ কখনোই মেলে না। তবে বড় সংকটের শুরু গত মাসে, ২১ জুলাই মহেশখালীতে এক্সিলারেট এনার্জির ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পর থেকে। এর জেরে গত সপ্তাহে অনেক কারখানাকে পুরোপুরি উৎপাদন বন্ধ করে দিতে হয়।

বলা হচ্ছে, শনিবার ভোর থেকে গ্যাস সরবরাহ কিছুটা বেড়েছে। তবে সরেজমিনে শিল্পাঞ্চলে গেলেও একই চিত্র দেখা গেলেও কমেনি ভোগান্তি। একদিকে দেশে গ্যাসের সংকট, অন্যদিকে সেই সংকটের কারণে ব্যাহত হচ্ছে বিদ্যুৎ উৎপাদন। অর্থাৎ, গ্যাস ও বিদ্যুতের দ্বিমুখী সংকট কতটা তীব্র এবং শিল্প খাতের জন্য কতটা বিপদের কারণ হতে পারে, তা শিল্পাঞ্চলের কারখানাগুলোতেই সবচেয়ে ভালোভাবে টের পাওয়া যায়।

বিভিন্ন শিল্পকারখানায় গিয়ে দেখা যায়, একাধিকবার লোডশেডিং হচ্ছে। এতে শ্রমিকদের নির্ধারিত সময়ের আগেই বিরতিতে পাঠানো হচ্ছে। সেজন্য উৎপাদন সচল রাখতে বাধ্য হয়ে বিকল্প জ্বালানি হিসেবে ডিজেল ও ফার্নেস অয়েল ব্যবহার করে জেনারেটরের মাধ্যমে বিদ্যুৎ সরবরাহ করতে হচ্ছে।

অন্যদিকে, যেসব যন্ত্রাংশ গ্যাসের মাধ্যমে চলে, সেগুলো গ্যাস ছাড়া চালানোর কোনো বিকল্প নেই। বিকল্প জ্বালানি সংগ্রহ করতে গেলেও নানা ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে শিল্পোদ্যোক্তাদের। পাশাপাশি, বিকল্প জ্বালানি ব্যবহারে উৎপাদন ব্যয়ও বহুগুণ বেড়ে যাচ্ছে।

গাজীপুর জেলা ও মহানগর মিলে মোট কারখানার সংখ্যা প্রায় সাড়ে তিন হাজার। এর মধ্যে গ্যাস সংকটে গড়ে ১৫ শতাংশ কারখানার উৎপাদন বন্ধ রয়েছে। এরই মধ্যে অহরহ বিদেশি অর্ডার বাতিল হওয়ার খবর মিলছে। নির্ধারিত সময়ে শিপমেন্ট দিতে না পারায় অনেক উদ্যোক্তাকে গুনতে হচ্ছে জরিমানাও।

সাভারে আগের তুলনায় গ্যাস সরবরাহ বাড়লেও, পিছু ছাড়ছে না বিদ্যুতের লোডশেডিং। পোশাক কারখানার ডায়িং, ওয়াশিং ও ফিনিশিং বিভাগে ভোগান্তি সবচেয়ে বেশি। বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংকটে অনেক শিল্পকারখানায় বসিয়ে রাখা হয়েছে জনবল। একই চিত্র দেখা গেছে নারায়ণগঞ্জের নিটওয়্যার শিল্পেও।

তীব্র গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকটে নরসিংদীর প্রায় ৮০ শতাংশ টেক্সটাইল, ডাইং ও প্রিন্টিং কারখানা বন্ধ ছিল। সম্প্রতি গ্যাসের চাপ কিছুটা বেড়েছে। তারপরও উৎপাদন সচল রাখতে অনেক কারখানাকেই বিকল্প জ্বালানির ব্যবস্থা করতে দেখা গেছে। একই সংকটে ভুগছেন খাদ্য, ওষুধ ও সিরামিক পণ্য উৎপাদনকারীরাও।

Parisreports / Parisreports

একলাফে ২৫২ টাকা বাড়ল এলপিজির দাম

অক্টোবরে জ্বালানি তেলের দাম অপরিবর্তিত থাকছে

দেশে বিনিয়োগ করতে আগ্রহ মার্কিন কোম্পানির

একনেকে মেট্রোরেলের ৩ প্রকল্প ও ইলেকট্রিক ট্রেনসহ ১২ প্রকল্পের অনুমোদন

সিঙ্গাপুরের শীর্ষ ৫০ ধনীর তালিকা থেকে ছিটকে গেলেন সামিটের আজিজ

যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে আরও বোয়িং কিনছে বাংলাদেশ

শাহজালালে অভিযান: প্রায় পৌনে ২ কোটি টাকার পণ্য জব্দ

রেকর্ড সৃষ্টি করে ৪৯২ কোটি টাকায় বিক্রি ফেরারি

শিল্পে গ্যাসের চাপ বাড়লেও এখনও কাটেনি সংকট

কাঁচামরিচে স্বস্তি, শত টাকার ওপরে অধিকাংশ সবজি

বাংলাদেশ থেকে আনারস আমদানির অনুমতি দিল পাকিস্তান

বিশ বছর পর বাজেট প্রণয়নে বিএনপি

ঢাকার সঙ্গে সামরিক সম্পর্ক গভীর করতে আগ্রহী আঙ্কারা