সোমবার, ১ জুন, ২০২৬

ভোগান্তি নিয়ে ঢাকায় ফিরছে মানুষ


নিজস্ব প্রতিবেদক photo নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১-৬-২০২৬ দুপুর ১১:১৫

পবিত্র ঈদুল আজহার পঞ্চম দিনে সোমবার (১ জুন) রাজধানীর অন্যতম প্রবেশপথ কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ফেরা কর্মজীবী মানুষের ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। টানা সাত দিনের ছুটি শেষে আজ সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন পেশাজীবী অনেক মানুষ কর্মস্থলে যোগ দিতে ঢাকায় ফিরছেন। তাই সকাল থেকে ঢাকায় ফেরা প্রায় প্রতিটি ট্রেনেই ভোগান্তি নিয়ে ফিরতে হয়েছে যাত্রীদের।

যাত্রীরা বলছেন, টিকিট কেটেও সিট পর্যন্ত যেতে পারেননি অনেকেই। গেটে ঝুলে ঝুলেও ফিরেছেন কেউ কেউ। আবার প্রত্যেকটি ট্রেনই সর্বনিম্ন এক ঘণ্টা থেকে ৩ ঘণ্টা পর্যন্ত দেরিতে ছেড়ে এসেছে। এতে নির্ধারিত সময়ে কর্মস্থলে যোগ দিতে না পেরে ক্ষোভ ঝাড়ছেন অনেকেই।

সরেজমিন দেখা গেছে, সকাল ৬টা থেকে সাড়ে ১০টা পর্যন্ত বিভিন্ন জেলা থেকে যাত্রী নিয়ে ঢাকায় ফিরেছে অন্তত ১২টি ট্রেন। প্রত্যেকটি ট্রেনেই ব্যাপক পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। 

বিমানবন্দর স্টেশনে যাত্রীদের বড় একটি অংশ নেমে যাওয়ার পরও কমলাপুর স্টেশনে পৌঁছানো প্রায় প্রতিটি ট্রেনেই জনস্রোত দেখা গেছে। সিটে বসার পর দাঁড়িয়ে থাকা যাত্রীদের নিয়ে বোঝাই হয়ে ফিরছে ট্রেনগুলো। সকাল ৯টার দিকে জামালপুর থেকে ফেরা 'ব্রাহ্মণবাড়িয়া এক্সপ্রেস'-এ দাঁড়িয়ে থাকা যাত্রীদের গেটে ঝুলে ঝুলে ফিরতে দেখা গেছে। অনেকেই টিকিট কেটেও সিট পর্যন্ত যেতে পারেননি। 

এছাড়া কিশোরগঞ্জ, সিরাজগঞ্জ, চট্টগ্রাম ও নোয়াখালী থেকে ফেরা ট্রেনগুলোতেও ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। এসব ট্রেনেও দাঁড়িয়ে যাত্রী বোঝাই হয়ে ফিরতে দেখা গেছে।

সকাল ৯টা ৪৫ মিনিটে কমলাপুর রেলস্টেশনে পৌঁছেছে পঞ্চগড় থেকে আসা 'একতা এক্সপ্রেস'। এই ট্রেনের যাত্রী মহিদুল অভিযোগ করে বলেন, স্ত্রী ও ছেলেকে নিয়ে ঢাকায় ফিরেছি। অনলাইনে টিকিট কেটে রেখেছিলাম। তবুও সিট পর্যন্ত যেতে পারেনি। নিজের বগিতেও চড়তে পারিনি। 

এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত সবশেষে সকাল ১০টা ২০ মিনিটে ঢাকায় পৌঁছেছে 'রংপুর এক্সপ্রেস'। এই ট্রেনের যাত্রী আব্দুল্লাহ আল মানুম বলেন, ট্রেনটি রোববার রাত ১১টার দিকে রংপুর থেকে ছেড়ে এসেছে। ছাড়ার কথা ছিলো রাত ৮টায়। প্রায় ৩ ঘণ্টা দেরিতে ছেড়ে আসায় ট্রেনটি ঢাকায় পৌঁছাতেও ৩-৪ ঘণ্টা লেট হয়েছে। দেরিতে আসায় অফিসে নির্ধারিত সময়ে যোগ দিতে না পারার কথা জানিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি।

Parisreports / Parisreports