ঢাকা মেডিকেলের হোস্টেলে পলেস্তারা খসে পড়ল শিক্ষার্থীর বেডে
ঢাকা মেডিকেল কলেজের (ডিএমসি) হোস্টেলের ছাদের পলেস্তোরা খসে পড়েছে এক শিক্ষার্থীর বেডে। শুক্রবার (৭ নভেম্বর) দুপুরে মেডিকেলের ডা. ফজলে রাব্বী হোস্টেলে এ ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, হোস্টেলের অ্যাটট্রিয়াম ব্লকের চতুর্থ তলায় পলেস্তোরা খসে পড়ার সময় রুমে ছিলেন না কেউ। যার কারণে দুর্ঘটনার হাত থেকে রক্ষা পেয়েছেন শিক্ষার্থীরা। ওই রুমটিতে দুজন শিক্ষার্থী থাকেন। আর চতুর্থ তলায় থাকেন ২০-২২ জন শিক্ষার্থী।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ঢাকা মেডিকেলের এক শিক্ষার্থী বলেন, রুম থেকে বের হওয়ার সময় দরজা আটকাতে গেলে ছাদের পলোস্তোরা খসে পড়ে বেডে। কেউ বেডে শুয়ে বা বসে থাকলে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতো। বর্তমানে সবাই নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।
আরেক শিক্ষার্থী বলেন, হোস্টেলের অবস্থা খারাপ। শিক্ষকদেরকে জানানো হয়েছে। আমরা খুবই হতাশ। এখন আতঙ্ক কাজ করছে। ছাদ খসে পড়লে যেকোনো সময় বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। বাধ্য হয়ে শিক্ষার্থীরা এখানে থাকেন। দুদিন আগেও পলেস্তারা খসে পড়েছে। বর্তমানে ঢাকা মেডিকেলের হোস্টেলে পলোস্তোরা খসে পড়ার ঘটনা নিত্য-নৈমিত্তিক ঘটনা।
তিনি বলেন, হোস্টেল ঠিক করার জন্য আমরাও আন্দোলনও করেছি। কর্তৃপক্ষ আমাদেরকে আশ্বাস দিয়েছিল, তবুও কিছু হয়নি। এখনও কোনো বাজেটই আসেনি।
জানতে চাইলে ঢাকা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. কামরুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি সম্পর্কে অবগত রয়েছি। স্থায়ী সমাধান হচ্ছে নতুন করে হোস্টেল নির্মাণ করা। হোস্টেল সমস্যা সমাধান করার জন্য কয়েকদিন আগেও স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ে মিটিং করা হয়েছে। দ্রুতই ঢাকা মেডিকেলের মাস্টার প্লান বাস্তবায়নে কাগজপত্র পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে। হোস্টেল সমস্যা সমাধানে সংশ্লিষ্ট সবাই কাজ করছে।
Parisreports / Parisreports
অক্টোবরের ৯ দিনেই ডেঙ্গুতে অর্ধশত মৃত্যু
হাম উপসর্গে আরও ৮ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ১২৩২
হয় আমি থাকব, না হয় হাসপাতালে অনিয়ম-দুর্নীতি থাকবে
হামে মৃত্যু হাজার ছুঁইছুঁই
আক্রান্তে পুরুষ এগিয়ে, ডেঙ্গুতে মৃত্যু বেশি নারীদের
২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে তেল বরাদ্দের অভাবে অচল জেনারেটর
২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গ নিয়ে আরও ৬ শিশুর মৃত্যু
হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৯ শিশুর মৃত্যু
এক মাসে হাম ও হাম সন্দেহে ১৯৮ শিশুর মৃত্যু
বদলেছে হামের ধরন, উদ্বেগ বাড়ছে চিকিৎসকদের
হামে ২৮ দিনে ১৬৯ শিশুর মৃত্যু