শনিবার, ১০ অক্টোবর, ২০২৬

স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে তেল বরাদ্দের অভাবে অচল জেনারেটর


নিজস্ব প্রতিবেদক photo নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১৮-৮-২০২৬ দুপুর ১২:১২

মানিকগঞ্জের ৫০ শয্যা বিশিষ্ট সাটুরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সরকারি তেল বরাদ্দের অভাবে দুটি জেনারেটর অচল হয়ে পড়ে আছে। তীব্র লোডশেডিংয়ে গরমে চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন চিকিৎসাধীন রোগী ও স্বজনরা।

সাটুরিয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ২০১৬ সালে ১০ কেভিএ জেনারেটরটি তেলের অভাবে দীর্ঘ নয় বছর ধরে বন্ধ রয়েছে। এছাড়া ২০২০ সালে হাসপাতালটি ৫০ শয্যায় উন্নীত হওয়ার পর নতুন জেনারেটর স্থাপন করা হলেও জ্বালানি বরাদ্দ না থাকায় সেটিও পাঁচ বছরে এক ঘণ্টাও চালানো যায়নি।

জানা যায়, জেলার সাটুরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স স্থানীয় মানুষের চিকিৎসার একটি নির্ভরযোগ্য প্রতিষ্ঠান। এ হাসপাতালে প্রতিদিন প্রায় সহস্রাধিক বিভিন্ন বয়সী নারী-পুরুষ চিকিৎসা সেবা নেন।

তবে গত কয়েক দিনের টানা লোডশেডিংয়ের কারণে চিকিৎসা সেবা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। আগে বিদ্যুৎ না থাকলে জেনারেটরের মাধ্যমে সিজার ও সব পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলত।
কিন্তু ঘনঘন লোডশেডিং এবং জেনারেটর সচল না থাকায় বর্তমানে হাসপাতালের অপারেশন থিয়েটার বন্ধ রয়েছে। ফলে সিজারিয়ান অপারেশনের জন্য নারীদের বাইরের ক্লিনিকে যেতে হচ্ছে। এছাড়া প্যাথলজির পরীক্ষাও বাইরে থেকে করাতে হচ্ছে। ফলে রোগীদের গুণতে হচ্ছে বাড়তি টাকা।

দরগ্রাম থেকে আসা এক রোগীর স্বজন শরিফুল বলেন, অসহ্য গরমে হাসপাতালে বেশিক্ষণ টেকা যায় না, মনে হয় রোগীরা সুস্থ হতে এসে উল্টো আরও অসুস্থ হয়ে পড়ছেন। দ্রুত এ বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েক জন রোগী বলেন, তীব্র রোদ ও ভ্যাপসা গরমে হাসপাতালের তিনতলার ওয়ার্ডে রোগীদের থাকা কষ্টকর হয়ে পড়েছে। অতিরিক্ত গরমে শিশুরা কান্নাকাটি করলে তাদের নিয়ে বাইরে যেতে হয়। অথচ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও নার্সদের রুমে জেনারেটরের মাধ্যমে ফ্যান চললেও রোগীদের বিছানায় বাতাস পৌঁছায় না। নার্স ও ডাক্তারের কক্ষে এ আরাম-আয়েশের ব্যবস্থা থাকলেও রোগীদের দুর্ভোগ দেখার কেউ নেই বলে অভিযোগও করেন।

Parisreports / Parisreports